About Ibrahim Nirob—Think Beyond System

ইব্রাহীম নিরব (নভেম্বর ১২, ২০০১ - ) একাধারে একজন বাংলাদেশপন্থী সাহিত্যিক, সমালোচক, বিশ্লেষক, কবি, সাংবাদিক ও ছাত্রনেতা। তরুণ এই স্বপ্নদ্রষ্টা সমাজ ও দেশের মানুষকে সচেতন করার জন্য বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কার্যক্রম করে থাকেন।









দ্য বাস্টার্ড উন্নয়ন কাব্যগ্রন্থে অটোগ্রাফ 
ভয়তন্ত্র কাব্যগ্রন্থে অটোগ্রাফ 







জন্ম

২০০১ সালের ১২ই নভেম্বর ফজরের করুণ আজানের সময়ে ঢাকা বিভাগের মুন্সিগঞ্জের লৌহজং থানার কলমা গ্রামে আমার জন্ম। পিতা-মাতা একই গ্রামের বাসিন্দা হওয়ায় আমার ছেলেবেলা কাটে একই গ্রামে। পিতার নাম সুলতান হাওলাদার (বয়াতী) এবং মাতা ময়না আক্তার নিপা। পিতা-মাতার এক মেয়ে এবং দুই ছেলের মধ্যে আমি মেজো। ছোট বয়সে পিতার ব্যবসায়িক সূত্রে চলে আসি পুরান ঢাকার লালবাগে।

শিক্ষাজীবন

প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা শুরু হয় তৎকালীন লালবাগ থানাধীন অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ হাজী ইব্রাহীম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েচতুর্থ শ্রেণি থেকে। আর লেখালেখির হাতেখড়ি হয় বাসায় মায়ের কাছে। ২০১২ সালে কৃতিত্বের সাথে পঞ্চম শ্রেণি উত্তীর্ণ হই। এরপর নিম্নমাধ্যমিক পড়ার জন্য ভর্তি হই নিউ ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে। এখানে সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করে ২০১৫ সালে গ্রামে নানির কাছে গিয়ে সেখানের স্থানীয় ইতিহাস বিখ্যাত কলমা লক্ষ্মীকান্ত উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজেঅষ্টম শ্রেণীতে ভর্তি হই। ২০১৮ সালে পুরো প্রতিষ্ঠানে প্রথম স্থান অধিকার করে মাধ্যমিক উত্তীর্ণ হয়েছিলাম। উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনার জন্য আবার ঢাকায় পরিবারের কাছে চলে আসি এবং ভর্তি হই সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজে, কিন্তু যাতায়াত সমস্যার কারণে ট্রান্সফার হয়ে চলে আসি হাজারীবাগ সরকারি কলেজে। বর্তমানে পুরান ঢাকায় অবস্থিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত শেখ বোরহানুদ্দীন পোস্ট গ্রাজুয়েট কলেজে অর্থনীতি নিয়ে স্নাতক পড়ছি।

কর্মজীবন

২০২২ সালে দেশের সর্ববৃহৎ আন্তর্জাতিক কোম্পানি প্রাণ-আরএফএল কোম্পানীতে বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলাম। এছাড়া যমুনা ব্যাংকে এজেন্ট অফিসার হিসেবে কিছুদিন কাজ করেছি। বর্তমানে পড়াশোনায় ব্যস্ত আছি। এর মাঝে নিজের টুকটাক খরচ চলে আসে ফ্রিল্যান্সিং কাজের মাধ্যমে।


স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম

মানুষ ও সাহিত্যের জন্য কাজ করতে আমার খুবই পছন্দ। এ লক্ষ্যে যোগ দেই বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ, বই আন্দোলন বাংলাদেশ, স্টপ রেপ ক্যাম্পেইন-২০১৯, বইবন্ধু, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন-নিসআ, বিলিভারস বিডি, সাহিত্যপিডিয়া সংগঠনে। বর্তমানে 'সৃজন হোক নতুন কিছু' স্লোগান ধারণ করে সৃষ্টিশীল, বিচক্ষণ পাঠক তৈরীতে সাহিত্যের সাথে সম্পৃক্ত সকল কার্যক্রম ও সমাজ, সংস্কৃতি, ধর্মতত্ত্ব, রাজনীতি, অর্থনীতি, শিল্প, সঙ্গীত, দর্শন, বিজ্ঞান, ইতিহাস ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করার উন্মুক্ত ও উদার পথ তৈরী করার লক্ষ্যে থিংক বিয়ন্ড সিস্টেম নামে একটি প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করছি। প্রজেক্টের উদ্দেশ্য হচ্ছে আমরা যে গতানুগতিক ধারায় চিন্তা-ভাবনা বা কিছু তৈরী করি তা একপর্যায়ে তীব্র সাম্প্রদায়িকতা সৃষ্টি করে। আমি চাচ্ছি যারা এই প্রজেক্টের মাধ্যমে অ্যাপ্রোচ হবে তারা যেন সৃষ্টিশীল, বিচক্ষণ, মুক্ত, সাম্যবাদী ও স্বাধীন চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে উদার ও অসাম্প্রদায়িক হয়।

ছাত্র অধিকার পরিষদ ও স্টপ রেপ ক্যাম্পেইনে যুক্ত হই ২০১৯ সালে। ২০২১ সালের শেষার্ধে বই আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হই। এরপর পরপর দুই মেয়াদে একই দায়িত্ব পালন করি।

২০২২ সালের নভেম্বরে আমি সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক দায়িত্বে আসি। এবং আমার সাংগঠনিক দক্ষতায় বই আন্দোলন বাংলাদেশ অভূতপূর্ব গতিতে এগিয়ে যায়। মূল প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ শাকিল যখন স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমকে ব্যবসায় রূপান্তর করে ভলান্টিয়ারদের জিরো প্রফিটে ইউজ করার পায়তারা করে তখন এর বিরুদ্ধে আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারীর মাঝামাঝি সময়ে দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দেই।

এরমধ্যে বই ও সাহিত্য নিয়ে কাজ করার আগ্রহ বেশি থাকায় তিনি ২০২১ সালে আরেকটি বইয়ের সংগঠন বইবন্ধুতে যোগদান করি এবং সেখানে ঢাকা টিমের সদস্য হিসেবে দায়িত্বরত আছি।

বইবন্ধু টিমের সাথে

সর্বশেষ 'সাহিত্যপিডিয়া'-র প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে গ্রুপে অ্যাডমিন দায়িত্বে ছিলাম। বই আমার কাছে অনন্য এক আবেগ— বই পাঠকের বন্ধু হোক— এই স্লোগানে বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলে বই ছড়িয়ে দেওয়া এবং বইমুখী করার লক্ষ্যে এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।

সাহিত্যপিডিয়া লোগো। ডিজাইন: জুলিয়ান

সৃষ্টিশীল, বিচক্ষণ পাঠক তৈরীতে সাহিত্যের সাথে সম্পৃক্ত সকল কার্যক্রম ও সমাজ, সংস্কৃতি, ধর্মতত্ত্ব, রাজনীতি, অর্থনীতি, শিল্প, সঙ্গীত, দর্শন, বিজ্ঞান, ইতিহাস ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করার উন্মুক্ত ও উদার পথ তৈরী করার লক্ষ্যে সামষ্টিক যাত্রা। আমরা যে গতানুগতিক ধারায় চিন্তা-ভাবনা বা কিছু তৈরী করি তা একপর্যায়ে তীব্র সাম্প্রদায়িকতা সৃষ্টি করে। আমরা চাচ্ছি যারা এই প্রজেক্টের মাধ্যমে অ্যাপ্রোচ হবে তারা যেন সৃষ্টিশীল, বিচক্ষণ, মুক্ত, সাম্যবাদী ও স্বাধীন চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে উদার ও অসাম্প্রদায়িক হয়।


বিলিভারস বিডি ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলন-নিসআ'তে যোগদান হয় ২০২২ সালে। বর্তমানে নিসআ-তে প্রথম মেয়াদে ঢাকা জেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দায়িত্বে ছিলাম। দ্বিতীয় মেয়াদের কমিটি গোছানোর প্রক্রিয়া চলমান...



রাজনীতি

আমি স্বপ্ন দেখি তারুণ্যের মেধা, শক্তি আর সাহসকে পুঁজি করে নতুন ধারার সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণের। সেই লক্ষ্যে ২০১৯ সালে যোগ দেই তৎকালীন হাসান আল মামুন, ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর, রাশেদ খান সহ বিভিন্ন ছাত্রদের নিয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলন নিয়ে সংগঠিত ছাত্র অধিকার পরিষদে। শুরুতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার অধীনে লালবাগ থানার সহ-সমন্বক (ভারপ্রাপ্ত) দায়িত্ব পালন করলেও পরবর্তীতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটি প্রকাশ হলে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পাই। দ্বিতীয় মেয়াদে সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে বর্তমানে দায়িত্বরত পালনকালে সংগঠনে ক্ষমতা নিয়ে আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কাণ্ডকারখানা ঘটায় কেন্দ্রীয় সিনিয়র পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। গঠনতন্ত্র বিরোধী কার্যালাপে যুক্ত হওয়ায় তাদের প্রতি ভরসা নষ্ট হয়ে যায়। তাই এখন রাজনীতি থেকে বাহিরে আছি।

সাবেক ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরের সাথে

কোটাসংস্কার ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন 

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে প্রথম একজন হিসেবে এই আন্দোলনের শুরু থেকে ফ্রন্টলাইনে নেতৃত্ব দিয়েছি। একারণে একাধিক হামলার শিকার হতে হয়। ১৫ জুলাই আহত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সারাদেশে প্রথম কোটাসংস্কার আন্দোলনে প্রথম শহীদ হিসেবে আমার ছবি ও ভিডিও কেন্দ্র করে গুজব ছড়িয়ে যায়। ১৮ জুলাই পূর্বঘোষিত কর্মসূচি 'কমপ্লিট শাটডাউন' বাস্তবায়ন করতে বের হলে আজিমপুর থেকে সাদাপোষাকধারীরা তুলে নিয়ে গুম করে ৭২ ঘন্টা নানাভাবে নির্যাতন করে। পরবর্তীতে ঢাকার লালবাগ থানায় একটি মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে কোর্টে পাঠায়। সেখান থেকে কেন্দ্রীয় জেলখানায় বন্দী থাকতে হয় হাসিনা পালানো পর্যন্ত। জেলবন্দী থাকা অবস্থায় অনেকগুলো কবিতা লেখা হয়, যেগুলো একত্রিত করে পরবর্তীতে ভয়তন্ত্র কাব্যগ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।






যা কিছু প্রিয়

রং    :

        1. খয়েরী
        2. সাদা
        3. গাঢ় নীল

ফুল    :

        1. হাস্নাহেনা
        2. গন্ধরাজ
        3. জবা
        4. বকুল ও
        5. ঘাসফুল


লেখক :

        1. মানিক বন্দোপাধ্যায়
        2. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
        3. আহমেদ ছফা
        4. ফরহাদ মজহার
        5. মুহম্মদ নিজাম
        6. তালিকা সময় পেলে আপডেট করা হবে


কবি     :

        1. কাজী নজরুল ইসলাম
        2. জীবনানন্দ দাস
        3. মাহমুদ দারবিশ
        4. হাসান রোবায়েত
        5. বিনয় মজুমদার 
        6. রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
        7. তুহিন খান
        8. তালিকা সময় পেলে আপডেট করা হবে


বই      :

        1. সাম্যবাদী
        2. অগ্নিবীণা
        3. মৃত্যুক্ষুধা
        4. শবনম
        5. মেমসাহেব
        6. মুসলমানের ছেলে
        7. ছায়াকারবালা
        8. ব্রিজ পেরোলেই অন্য ঋতুর দেশ
        9. তালিকা সময় পেলে আপডেট করা হবে

শখ

প্রধান শখ মূলত লেখালেখি, তবে এরমধ্যে কবিতা লেখা সবচেয়ে পছন্দের। এরপর আসে বইপড়া ও বিভিন্ন বিষয় খোঁজাখুঁজি করা। তৃতীয় স্থানে আছে গ্রাফিক্স ডিজাইন ও ভিডিও এডিটিং। তাছাড়া বাগান করা, খেলাধুলা, ভ্রমণ করা, বিভিন্ন বিষয় (ধর্ম, রাজনীতি, সাহিত্য, সমাজ ও দেশ ইত্যাদি) নিয়ে গবেষণা করা, সামাজিক কাজ অর্থাৎ জনসেবা করা ইত্যাদি আমার অন্যতম শখ

সেরা সময়

মানুষের কাছে প্রতিটা মুহূর্তই স্মরণীয় করে রাখার মতো হয়ে থাকে, তাই সেরা সময়টা খুঁজে বের করতে পারছি না। দুঃখিত!

অভ্যাস

মানুষ হইতে আর পারলাম কই? কেউই নিজের অভ্যাস সঠিক করে বলতে পারবে না হোক সেটা ভালো কিংবা খারাপ। কখনো জানতে পারে না কোন জিনিসটা অভ্যাস হয়ে হয়ে উঠে। যখন বুঝতে পারে যে সেটা অভ্যাস ছিল তখন আর সেটা নিজের কাছে থাকে না। তাই আমি অভ্যাস খোঁজা ছেড়ে দিয়েছি। তবে মানুষ যেহেতু সৃষ্টির সেরা জীব, সে হিসেবে আমি নিজেকে উচ্চপর্যায়ের ভালো ভাবি। এক্ষেত্রে সৈয়দ মুজতবা আলীর অমর সৃষ্টি 'শবনম' উপন্যাসের একটি লাইন কৌট করা যায়, "আমার বিরহে তুমি অভ্যস্ত হইও না।"

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

উদ্দেশ্যহীন, সময়ের স্রোত যেভাবে নিয়ে যাবে আমিও সেভাবেই এগিয়ে যেতে চাই। সবাই-ই ভবিষ্যৎ লক্ষ্য হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে চায়। আমিও একসময় তাই ভাবতাম কিন্তু বড় হতে হতে দেখি আগে আমাদের আদর্শ মানুষ হওয়ার প্রয়োজন। তাই খুব ছোটবেলায় টাইফয়েড রোগ থেকে সুস্থ হয়ে ডাক্তার হওয়ার যে ইচ্ছে জেগেছিল এবং পরবর্তীতে কম্পিউটার নিয়ে আগ্রহ জাগায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার যে ইচ্ছে হয়েছিল তা পুরোপুরি বাদ দিয়ে দেই। এখন আমার লক্ষ্য হচ্ছে একজন আদর্শ মানুষ হওয়া যাতে করে মৃত্যুর পরে সবাই আমাকে স্মরণ রাখে, আমি কেয়ামত পর্যন্ত বেঁচে থাকতে চাই। আর আদর্শ মানুষ হতে পারলেই তার কৃত কাজগুলাও আদর্শ হবে ফলে মানুষ চিরকাল স্মরণে রাখবে অন্তত কয়েকবছরের মধ্যে একবার অথবা প্রতিবছর। তাই ক্যারিয়ার বিষয়টা ভবিষ্যতের উপরেই ছেড়ে দিয়েছি।

লেখালেখি

আমি মূলত কবিতা ও সমাজ সম্পর্কে লিখতে পছন্দ করি। মাঝেমধ্যে দুয়েকটা গল্প-টল্প লিখেছিলাম। আমার লেখালেখির যাত্রা শুরু হয় মাধ্যমিকে থাকাকালীন ২০১৬ সালে। অনলাইনে লেখালেখি শুরু করি ২০১৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে। সেই থেকে প্রায় নিয়মিত লেখালেখি চলছে ফেসবুক, পত্রিকা, ম্যাগাজিনে। ২০২৩ সালে বাংলা একাডেমি আয়োজিত অমর একুশে বইমেলায় আমার প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'দ্য বাস্টার্ড উন্নয়ন' প্রকাশিত হয়।

দ্য বাস্টার্ড উন্নয়ন-২০২৩


এরপর দীর্ঘ অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করে জেলবন্দী অবস্থায় লেখা কবিতাগুলো একত্রিত করে ফ্যাসিস্ট হাসিনার দুঃশাসনকালের বাস্তবচিত্র তুলে ধরতে ২০২৪ সালের ১৬ই ডিসেম্বর প্রকাশ হয় ভয়তন্ত্র কাব্যগ্রন্থ। এটি প্রেম-ধর্ম-রাজনীতি ও প্রকৃতির ফিউশন করে সাররিয়েলিজম ও হাইপার রিয়েলস্টিক ধারায় রচিত। এত রয়েছে মহান মুক্তিযুদ্ধকে ট্রিবিউট করে ৭১টি কবিতা...

ভয়তন্ত্র-২০২৪


পরবর্তী বই হিসেবে 'ধোঁয়াটে প্রেমের ভাঙা দেশ' শিরোনামে একটা কাব্যগ্রন্থ লেখবো ভাবতাছি— মূল উপজীব্য বিষয় হবে প্রেমের ট্রাজেডিক পরিণতি। উপমা হিসাবে ইউজ হবে সাররিয়ালিজম ও হাইপার রিয়েলস্টিক মিশিয়ে দুই বাংলার বর্ডার, জেনোসাইড, অন্যায়, অবিচার, শোষণ, নির্যাতন, গেস্টরুম, গুম, ধর্মীয় উগ্রতা, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, হেলমেট ক্যাডার  ও উন্নয়ন ইত্যাদি তুলে আনবো। এরপর একটি উপন্যাস লেখার প্রস্তুতি চলছে, তবে উপন্যাসটা লেখার আগে অনেক বইপত্র পড়তে হবে কারণ উপন্যাসটা তথ্যবহুল। নাম ও জনরা ঠিক করেছি। সেই অনুযায়ী প্লট-ও তৈরী করতেছি। আপাতত উপন্যাস সম্পর্কে কিছুই প্রকাশ করবো না...


"দ্য বাস্টার্ড উন্নয়ন" আমার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ছিল— এটার প্রথম এডিশনই শেষ। আর কোনো এডিশন আনার ইচ্ছে ও পরিকল্পনা নেই। "ভয়তন্ত্র" কোনোভাবে প্রকাশিত হয়ে গেছে। এখন "ধোঁয়াটে প্রেমের ভাঙা দেশ" চলে আসবে, কিন্তু কবে বইগুলো আসবে জানি না। কারণ সন্ত্রাসী হামলায় মস্তিষ্কে আঘাত পাওয়ার দরুন স্নায়ুকোষ দুর্বল হয়ে ড্যামেজ হয়ে যাচ্ছে। চিকিৎসকের পরামর্শ হচ্ছে কোনোভাবেই প্রেশার ক্রিয়েট করা যাবে না.....


গ্রন্থ

  1. দ্য বাস্টার্ড উন্নয়ন(কাব্যগ্রন্থ, প্রকাশকাল: ২১শে ফেব্রুয়ারী, ২০২৩)

  2. ভয়তন্ত্র  (কাব্যগ্রন্থ, প্রকাশকাল: ১২ই নভেম্বর, ২০২৪)



ইমেইল ঠিকানা: ibrnirob@gmail.com



বিবেক কোথায়?
বিবেক কোথায়?
গ্রামীণ সৌন্দর্য

নিউজ লিংক 
  1. "দ্য বাস্টার্ড উন্নয়ন"| Goodreads (বাংলা ভাষায়)।

  2. " ভয়তন্ত্র" | Jagonews

৭টি মন্তব্য:

  1. আপনি খুবই দুর্দান্ত একজন মানুষ! দোয়া রইলো

    উত্তরমুছুন
  2. ভালোবাসা ও শুভ কামনা রইলো💙

    উত্তরমুছুন
  3. খুব ভালো লাগলো

    উত্তরমুছুন
  4. পুরোটা পরার পর আপনাকে সরাসরি দেখার ইচ্ছে হচ্ছে। একই University যখন পড়ি। আশা রাখি ইনশাআল্লাহ দেখা হবে। আমি ফিন্যান্স বিভাগের। ২০২৩-২৪

    উত্তরমুছুন
  5. খুবিই দুর্দান্ত একজন মানুষ

    উত্তরমুছুন
  6. আয়শা সিদ্দিকা মিম২১ জুন, ২০২৪ এ ১২:৪১ AM

    আপনার জন্য শুভকামনা রইলো।

    জীবনে চলার পথে উত্থান-পতন আসবেই।কিন্তু যদি নিজের লক্ষ্যকে আকড়ে ধরে রাখতে পারেন ইনশাআল্লাহ আপনি একদিন সফল হবেন।

    উত্তরমুছুন